দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসলামি শরিয়তে মসজিদের পাশে বা মসজিদের আঙিনায় কবর দিলে মৃত ব্যক্তির কবরের আজাব কমে কিংবা অতিরিক্ত সওয়াব পাওয়া যায় এমন কোনো প্রমাণ কোরআন-হাদিসে নেই বলে জানিয়েছেন ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মসজিদ-মাদ্রাসার আঙিনায় বা পাশে কবর দিলে বিশেষ কোনো ফজিলত রয়েছে কোরআন-হাদিসে এমন কথা বলা হয়নি। সেখানে কবর দিলে অতিরিক্ত সওয়াব হবে, এমন দাবিরও ভিত্তি নেই।
তবে মসজিদের আশপাশে কবরস্থান থাকা ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে মুসল্লিরা নিয়মিত কবর জিয়ারত করতে পারেন এবং কবরবাসীর জন্য দোয়া করার সুযোগ পান। কিন্তু কোনো কবরস্থান দূরে থাকার কারণে মসজিদ-মাদ্রাসার পাশে আলাদা করে একটি কবর দেওয়া সুন্নাহ নয়।
তিনি বলেন, সুন্নাহ হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে কবর দেওয়া। অর্থাৎ, যেখানে অন্য মুসলমানদের কবর দেওয়া হয়, সেখানেই মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা।
মসজিদের পাশে কবর দেওয়ার বিষয়ে আল্লাহর রহমতের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, আল্লাহর রহমত পাওয়ার আশায় কেউ যদি এমনটি করেন এবং আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখেন, তাহলে আল্লাহ চাইলে তার প্রতি রহম করতে পারেন। তবে এটিকে শরিয়তের নির্ধারিত কোনো বিশেষ ফজিলত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। কারণ, রহমত করা সম্পূর্ণ আল্লাহর সিদ্ধান্ত।
এদিকে ইসলামি স্কলার ড. সাইফুল্লাহ বলেন, মসজিদের কাছে কবরস্থান না রেখে তা মসজিদ থেকে আলাদা হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, সমাজের অনেকের ধারণা, মসজিদের পাশে কবর দিলে মৃত ব্যক্তি মসজিদের আজান, জিকির, কোরআন তেলাওয়াতসহ বিভিন্ন ইবাদতের ফজিলত লাভ করবেন। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে ইসলামি শরিয়তে কোনো ভিত্তি নেই।
হাদিসে এসেছে, মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমল এর ব্যতিক্রম সদকায়ে জারিয়া, এমন জ্ঞান যা থেকে মানুষ উপকৃত হয় এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে। সহিহ মুসলিমের ১৬৩১ নম্বর হাদিসে এ বর্ণনা রয়েছে।
যে আই